মূল ধারণা
“একটা পোস্ট লিখে দাও”—এমন অস্পষ্ট prompt দিলে AI অনুমান করে লেখে, আর সেই অনুমান প্রায়ই আপনার প্রয়োজনের সঙ্গে মেলে না। ভালো prompt-এ সাধারণত চারটি অংশ থাকে। কাজ: ঠিক কী করতে হবে। প্রেক্ষাপট: কার জন্য, কেন, কোন তথ্যের ভিত্তিতে। সীমা: কী করবে না, দৈর্ঘ্য কত, কোন শব্দ এড়াবে। ফরম্যাট: উত্তর কোন আকারে—অনুচ্ছেদ, তালিকা, টেবিল। চারটি অংশ লিখতে এক মিনিট বেশি লাগে, কিন্তু বারবার নতুন করে চাওয়ার সময় বাঁচে।
ধাপে ধাপে উদাহরণ
মিম আক্তার ঢাকার মিরপুরে “মিমস কিচেন” নামে একটি কাল্পনিক হোম-বেকারি চালান। ১. প্রথমে লিখলেন: “কেকের অফার নিয়ে লেখো।” উত্তর এলো ইংরেজিতে, লম্বা, আর এমন ছাড়ের কথা যা তিনি দেননি। ২. এবার চার অংশে লিখলেন। কাজ: Facebook পোস্টের ক্যাপশন। প্রেক্ষাপট: জন্মদিনের কেক, মিরপুর ও আশপাশে ডেলিভারি, ক্রেতা মূলত চাকরিজীবী মা-বাবা। ৩. সীমা: ৬০ শব্দের মধ্যে, কোনো ছাড়ের কথা নয়, “সেরা” শব্দ নয়। ফরম্যাট: তিনটি বিকল্প, প্রতিটি আলাদা লাইনে, শেষে অর্ডারের CTA। ৪. দ্বিতীয় উত্তর প্রায় সরাসরি ব্যবহারযোগ্য হলো; মিম শুধু দাম ও ডেলিভারির দিন নিজে বসালেন।
কপি করে ব্যবহার করুন (Prompt)
কাজ: [ঠিক কী লিখতে বা করতে হবে]। প্রেক্ষাপট: [ব্যবসা বা পরিস্থিতি, পাঠক কারা, কেন দরকার]। সীমা: [দৈর্ঘ্য, কী লিখবে না, কোন শব্দ এড়াবে]। আমি যে তথ্য দিইনি তা বানাবে না; দরকার হলে [ ] দিয়ে ফাঁকা রাখবে। ফরম্যাট: [তালিকা / টেবিল / অনুচ্ছেদ, কয়টি বিকল্প]।
অনুশীলন
আপনার কাজের এমন একটি অনুরোধ বেছে নিন যা আগে এক লাইনে লিখতেন। প্রথমে এক লাইনেই চালান, তারপর চার অংশের prompt দিয়ে চালান। দুটি উত্তর পাশাপাশি রেখে লিখুন: কোন উত্তরে কম সম্পাদনা লাগল, আর কোন অংশটি যোগ করায় সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো।