মূল ধারণা
ফিচার হলো পণ্যের তথ্য—“২০০ গ্রাম প্যাকেট, হাতে বাছাই করা পাতা”। সুবিধা হলো সেই তথ্য ক্রেতার জীবনে কী বদলায়—“সকালের প্রথম কাপে গাঢ় রং আর সুবাস”। ভালো কপি দুটোকেই জোড়ে: সুবিধা দিয়ে আগ্রহ জাগায়, ফিচার দিয়ে বিশ্বাস তৈরি করে। AI একটি ফিচার থেকে অনেক সুবিধার বাক্য বানাতে পারে, কিন্তু কোন সুবিধা সত্যি আর কোনটি বাড়িয়ে বলা, তা পণ্যের মালিকই জানেন।
ধাপে ধাপে উদাহরণ
ধরা যাক, ইমরান একজন নবীন ফ্রিল্যান্স কপিরাইটার; তাঁর প্রথম ক্লায়েন্ট সিলেটের কাল্পনিক চা ব্র্যান্ড “সুরমা লিফ”। ১. ক্লায়েন্টের কাছ থেকে পণ্যের সব ফিচার লিখিত নিলেন: বাগানের এলাকা, পাতার ধরন, প্যাকেটের ওজন, কীভাবে বানাতে হয়। ২. AI-কে দিয়ে প্রতিটি ফিচারের পাশে দুটি সম্ভাব্য সুবিধা লেখালেন। ৩. তালিকাটি ক্লায়েন্টকে দেখালেন। “স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী” ধরনের সুবিধা প্রমাণ ছাড়া লেখা যাবে না—তাই সেটি বাদ গেল। ৪. শেষে থাকল পাঁচটি সত্য ও যাচাইযোগ্য সুবিধা, যা পরের সব কপিতে ব্যবহার হবে।
কপি করে ব্যবহার করুন (Prompt)
আমার পণ্য: [পণ্যের নাম ও ধরন]। ফিচারগুলো: [ফিচারের তালিকা]। আমার ক্রেতা: [ক্রেতার বর্ণনা]। প্রতিটি ফিচারের জন্য ক্রেতার দৃষ্টিতে দুটি সুবিধা বাংলায় লেখো, টেবিল আকারে। স্বাস্থ্য, ফলাফল বা তুলনামূলক কোনো দাবি করবে না যা ফিচারে নেই; এমন দাবি দরকার মনে হলে আলাদা করে লেখো “প্রমাণ লাগবে”।
অনুশীলন
একটি দেশি পণ্য (নিজের বা কাল্পনিক) বেছে ৫টি ফিচার লিখুন। prompt চালিয়ে সুবিধার তালিকা নিন। প্রতিটি সুবিধার পাশে লিখুন: সত্য ও যাচাইযোগ্য / প্রমাণ লাগবে / বাদ। কয়টি বাদ দিলেন, গুনে রাখুন।